পুলিশের জালে মালদহের পাঁচ জন

নিজস্ব সংবাদদাতা ● রঘুনাথগঞ্জ

২৫ লিটার কোডাইন মিক্সচার-সহ পাঁচ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল শমশেরগঞ্জ থানার পুলিশ। বুধবার গভীর রাতে নতুন ডাকবাংলো মোড় এলাকার ঘটনা। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত আবু রাইহান শেখ, সালাম শেখ, ইনসান আলি, ওয়াহিদুর রহমান ও সারিউল শেখ মালদহের বালুরগ্রামের বাসিন্দা। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান,পাচারের জন্য মাদক নিয়ে যাচ্ছিল তারা। বৃহস্পতিবার তাদের জঙ্গিপুর আদালতে তোলা হলে জেল হেফাজতের  নির্দেশ দেন বিচারক।

বোমাবাজিতে জখম তৃণমূলকর্মী

নিজস্ব সংবাদদাতা ● রানিনগর

তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রানিনগর। বৃহস্পতিবার রানিনগরের গোধনপাড়ায় দলের দুই গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে বোমাবাজিতে এক তৃণমূল কর্মী জখম হয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকা দখলদারি কে নেবে তা নিয়েই তৃণমূলের দুই পক্ষের মধ্যে বেশ কিছুদিন থেকেই গন্ডগোল চলছিল। আক্রান্তদের পরিবারের অভিযোগ, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শাহ আলমের লোকজন বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বোমাবাজি শুরু করে। সেই বোমার আঘাতে গুরুতর জখম হন সিরাজুল শেখ নামে তৃণমূলের ওই সক্রিয় কর্মী। গোষ্ঠীকোন্দলের অভিযোগ অস্বীকার করে ব্লক তৃণমূলের সভাপতি শাহ আলম বলেন, “কংগ্রেসের লোকজন এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এলাকার দখল নেওয়ার জন্য তারা বোমাবাজি করেছে। গোষ্ঠীকোন্দলের কোনও প্রশ্নই নেই।” যা শুনে জেলা কংগ্রেসের মুখপাত্র জয়ন্ত দাসের প্রতিক্রিয়া, “বোমাবাজি করে তৃণমূলের কর্মীরা বিজয়ার আনন্দ উপভোগ করছেন। কংগ্রেস এর সঙ্গে জড়িত নয়। পুরোটাই তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলের ফল।”

প্রয়াত সুকুমার হাঁসদা

নিজস্ব সংবাদদাতা ● ঝাড়গ্রাম

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বিধানসভার উপাধ্যক্ষ সুকুমার হাঁসদা প্রয়াত হলেন। বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য জুড়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।

প্রদেশ কংগ্রেসের ঘোষণা

নিজস্ব সংবাদদাতা ● কলকাতা

দলের সাধারণ সম্পাদক ও জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের নাম ঘোষণা করল প্রদেশ কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অধীর চৌধুরী ১৪ জন সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করেছেন। সেই তালিকায় মনোজ চক্রবর্তী থেকে শুরু করে মুস্তাক আলম, কৃষ্ণা দেবনাথ, ঋজু ঘোষাল, রোহন মিত্রের মতো কংগ্রেস নেতারা জায়গা পেয়েছেন। তেমনই রাজ্যের ১৪টি জেলার জন্য ১৪ জন নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সেই তালিকায় বিধায়ক মইনুল হক, শফিউল আলম খান, সর্দার আমজাদ আলি, মায়া ঘোষ, শুভঙ্কর সরকারের মতো নেতারাও জায়গা পেয়েছেন।