ইন্দ্রাশিস বাগচী ● বহরমপুর

তৃণমূলের দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সভা করতে এসেছেন বহরমপুরে। আর মুখ্যমন্ত্রী তথা দলনেত্রীকে কাছে পেয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করার জন্য মুখিয়ে থাকবেন দলের নেতারা, সেটাই স্বাভাবিক। তবে একান্তে দেখা হবে কিনা তা নিশ্চিত নয় ভেবেই মুখ্যমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে তাঁর হাতে চিরকুট ধরিয়ে দিলেন জেলার একাধিক নেতা। সেই তালিকায় রয়েছেন জেলা তৃণমূলের অন্যতম কো-অর্ডিনেটর অশোক দাস থেকে শুরু করে জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলউর রহমান ও জেলা তৃণমূল নেতা মাইনুল হাসান। তবে সেই চিরকুটে কী লেখা রয়েছে, তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

তৃণমূল সূত্রের খবর, জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলউর রহমান মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় দ্রুত চালুর দাবি জানিয়েছেন। মাইনুল হাসান সাংগঠনিক কিছু বিষয় নিয়ে দলনেত্রীকে চিঠি দিয়েছেন। আর অশোক দাস দার্জিলিং রামকৃষ্ণ মিশনের সম্পাদক বিশ্বরূপ মহারাজের মৃত্যুর কথা জানাতে মুখ্যমন্ত্রীকে চিরকুট দিয়েছেন। অশোক জানিয়েছেন, বিশ্বরূপ মহারাজের বাড়ি বহরমপুরের খাগড়ায়। গত ৭ ফেব্রুয়ারি তিনি মারা গিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ভাল সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি আগে থেকে জানতেন অশোক দাস। তাই তিনি বিশ্বরূপ মহারাজের মৃত্যুর খবর মুখ্যমন্ত্রীকে জানান। তৃণমূলনেত্রী সে কথা জেনে সভামঞ্চে বিশ্বরূপ মহারাজের মৃত্যুর বিষয় এবং তাঁর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি উল্লেখ করে দুঃখপ্রকাশ করেন। আবার মুর্শিদাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় যে শিগ্গির চালু হবে সে কথাও জানিয়েছেন তিনি।

এ দিন মাইনুল হাসান বলেন, ‘‘সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে একটি চিঠি দিয়েছি। এর বেশি কিছু বলা যাবে না।’’ অশোক দাসের কথায়, ‘‘দিদির সঙ্গে বিশ্বরূপ মহারাজের সুসম্পর্ক ছিল, সেটা আগে থেকেই আমি জানি। তাই ওঁর মৃত্যুর খবর এ দিন আমি মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছি।’’ শুধুই এটুকু, নাকি আরও কিছু বিষয় রয়েছে ওই চিরকুটে, সে জল্পনা মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ছিল বেশ চর্চার বিষয়।

ছবিটি তুলেছেন ইন্দ্রাশিস বাগচী