কল্লোল প্রামাণিক ● বহরমপুর

কেউ দাঁড়ালেন ‘দিদি’র পাশে। কেউ চাকরির দাবি জানালেন। কেউ আবার দলবেঁধে এসে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে গেলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায়। মঙ্গলবার বহরমপুর স্টেডিয়ামে মমতার সভা ঘিরে ‘অফলাইন’ ও ‘অনলাইন’-এ দেখা গেল এমনই সব প্রতিক্রিয়া।

এ দিন দুপুর আড়াইটে নাগাদ সভা শুরু হতেই মমতার অফিসিয়াল পেজেও শুরু হয় লাইভ ভিডিয়ো। সেই বিপুল কমেন্ট-এর মধ্যে যেমন ভেসে উঠেছে অপ্রাপ্তির দীর্ঘশ্বাস, তেমন অনেকেই আগামী নির্বাচনে দিদিরই জয় চেয়েছেন।

এ দিন সভামঞ্চের সামনে একদল ছেলেমেয়ে ‘চাকরি চাই’ প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়েছিলেন। বিষয়টি নজরে আসতেই পুলিশ তাঁদের সরিয়ে দেয়। আবার এ দিন সভায় এসে বিড়ি শ্রমিকদের অনেকেই আক্ষেপ করেছেন, ‘‘মঞ্চে বিড়ি কারখানার মালিক তথা শ্রমমন্ত্রী এবং জঙ্গিপুরের সাংসদ উপস্থিত থাকলেও আমাদের নিয়ে কেউ একটা কথাও বললেন না।’’

জেলার নানা প্রান্ত থেকে অতিথি অধ্যাপকেরাও এসে এ দিন কৃতজ্ঞতা জানিয়ে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সংগঠনের পক্ষে সৌমীমা চট্টরাজ বলেন, ‘‘কলেজের অতিথি অধ্যাপকদের কাজের নিশ্চয়তা ছিল না, ছিল না সঠিক বেতন কাঠামোও। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে যেখানে অনেক মানুষ কাজ হারিয়েছেন, তখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের প্রায় ৮৫০০ জন অতিথি অধ্যাপককে স্টেট এডেড কলেজ টিচার নাম দিয়ে ৬০ বছর পর্যন্ত কাজ করার নিশ্চয়তা প্রদান করেছেন।’’

এ দিন সভাস্থলে উপস্থিত হয়েছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ আব্দুল উকিল, রাজ্য কমিটির সদস্য তথা স্টেট এডেড কলেজ টিচার অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র বিভাস বিশ্বাস, সহ সম্পাদক মিঠু মিত্র, সহ সভাপতি মুনমুন পালবাগ, সৌমীমা চট্টরাজ, বিপ্লব বিশ্বাস-সহ অনেকেই।