আর্থিক সহায়তা

নিজস্ব প্রতিবেদন

মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুর মহকুমায় বজ্রাঘাতে মৃত সাত ব্যক্তির পরিবারগুলিকে এক লক্ষ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দিলেন রাজ্যের প্রাক্তন শ্রম প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। ওই সাতটি পরিবারকে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা করেন জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান। বুধবার দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও দেখা করেছেন ওই সাত জন ও বহরমপুরে বজ্রাঘাতে মৃত দু’জনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। দলের তরফে প্রত্যেক পরিবারকে দু’লক্ষ টাকা করে ও সরকারের তরফেও দু’লক্ষ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
তবে জঙ্গিপুর মহকুমার ওই সাতটি পরিবারের একজন করে সদস্যকে চাকরি দেওয়ার দাবিও উঠেছে। সোমবার বজ্রাঘাতে জঙ্গিপুর মহকুমার সাত জন ও বহরমপুরের দু’জন মারা যান। এরপরেই রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের তরফে মৃত ও আহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তার কথা ঘোষণা করা হয়। এলাকার বাসিন্দাদের অনেকেই বলেন, ‘‘যাঁরা মারা গিয়েছেন তাঁরা সকলেই ছিলেন পরিবারের একমাত্র রোজগেরে। তাই ওই পরিবারগুলির একজন করে সদস্যকে সরকারি কাজ দিলে পরিবারগুলি উপকৃত হবে।’’

চালু হেল্পলাইন নম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদন

করোনা আক্রান্ত রোগী সহায়তায় টেলিমেডিসিন, হাসপাতালে ভর্তি-সহ বিবিধ বিষয়ে তথ্য সহায়তার জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু করল মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসন। ৭৯৪৭০৪৪৪২০ নম্বরে সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মিলবে পরিষেবা। পরে অবশ্য সময়সীমা আরও বাড়ানো হতে পারে বলে জানান অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি ও ভূমিসংস্কার) অংশুল গুপ্ত। অন্য জরুরি পরিষেবাও এই হেল্পলাইন নম্বরের অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে তিনি জানান।

বিরল প্রজাতির মাকড়সা

নিজস্ব প্রতিবেদন

মুর্শিদাবাদের ফরাক্কায় এক বিরল প্রজাতির মাকড়সাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। মোজাহারুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি দোকান খুলে তাঁর দোকানের দেওয়ালে দেখতে পান দু’টি মাকড়সা। বিরল প্রজাতির মাকড়সা দেখে ভীত হয়ে প্রতিবেশীদের জানাতেই চাঞ্চল্য শুরু হয় এলাকায়। থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে কৌটোবন্দি করে নিয়ে যায় মাকড়সা দু’টিকে।

গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা

নিজস্ব প্রতিবেদন

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের জেলায় আসার আগের রাতে তৃণমূল কর্মীর গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় বহরমপুরে। তৃণমূলের অভিযোগের তির কংগ্রেসের দিকে। তৃণমূলের দাবি, বেশ কয়েকদিন থেকেই তৃণমূলকর্মী সাজ্জু শেখকে হুমকি দিচ্ছিলেন কংগ্রেসের কয়েকজন কর্মী। তাঁরাই এ দিন সাজ্জুর উপর চড়াও হন। যদিও ঘটনাটি তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল বলেই দাবি কংগ্রেসের। কংগ্রেসের জেলা মুখপাত্র জয়ন্ত দাস বলেন, “জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিবাদের জেরেই এই ঘটনা। এর সঙ্গে কংগ্রেসের কোনও যোগ নেই।” ঘটনার পর এলাকায় পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। ঘটনাস্থলে যান শহর তৃণমূলের সভাপতি নারুগোপাল মুখোপাধ্যায়ও। তিনি নিরপেক্ষ পুলিশি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

রক্তদান শিবির

নিজস্ব প্রতিবেদন

বুধবার কান্দি ও মুর্শিদাবাদে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করে তৃণমূল। কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার এবং মুর্শিদাবাদের প্রাক্তন বিধায়ক শাওনী সিংহ রায়ের উদ্যোগে আয়োজিত হয় রক্তদান শিবির। এ দিন দু’টি শিবিরে দুই শতাধিক রক্তদাতা রক্তদান করেছেন বলে জানা গিয়েছে।