রাজা বাগচী বহরমপুর

সোমবার বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে জেলার ন’জন বাসিন্দার। বুধবার তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করলেন সর্বভারতীয় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
এ দিন দুপুর সওয়া ১টা নাগাদ বহরমপুর স্টেডিয়ামে নামে অভিষেকের কপ্টার। সেখান থেকেই গাড়িতে করে প্রথমে তিনি যান বহরমপুরের বানজেটিয়ার হঠাৎ কলোনিতে। সেখানে গিয়ে প্রথমেই তিনি মৃত প্রহ্লাদ মুরারির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন। প্রহ্লাদের ছবিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। তারপরে বাড়ির উঠোনে বসে তাঁর স্ত্রী ও ছেলের সঙ্গে কথা বলেন সাংসদ। অভিষেককে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন প্রহ্লাদের পরিজনেরা।
প্রায় কুড়ি মিনিট সেখানে থাকার পরে গাড়িতে করে অভিজিৎ বসুর বাড়িতে যান অভিষেক। অভিজিতের দুই নাবালক সন্তানকে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তৃণমূল সাংসদ। অভিজিতের স্ত্রী পিয়ালী বসু বলেন, ‘‘যে টাকা সরকার থেকে দেওয়া হয়েছে, তাতে আমার সংসার চলবে না। আমরা তৃণমূল সাংসদের কাছে আবেদন করেছি যেন আমার পরিবারের একজনকে সরকারি চাকরি দেওয়া হয়। নইলে আমার ছোটো দুই সন্তানকে নিয়ে পথে বসতে হবে।”
সেখান থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সকলের পাশে রয়েছে। এই মৃত্যু অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। টাকা দিয়ে সেই ক্ষতি পূরণ করা যাবে না। আমরা পরিবারের পাশে রয়েছি। যে কোনও সহায়তার জন্য আমরা এগিয়ে যাব।”
বহরমপুর থেকে বেরিয়ে ফের কপ্টারে জঙ্গিপুর মহকুমার উদ্দেশে রওনা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে পৌঁছে বজ্রাঘাতে মৃত সাত জনের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে কলকাতা ফিরে যান তৃণমূল সাংসদ।