প্রসূন আচার্য

সময়টা খুব খারাপ। বিগত তিন দশকের পরে সম্ভবত সবচেয়ে খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি আমরা। রাজনীতি, সমাজনীতি, অর্থনীতি সব দিক থেকেই। সময়টা ভালো নয় একদমই বামপন্থী ও কমিউনিস্ট দলগুলোর পক্ষেও। গোটা বিশ্বেই। ভারতেও। সেই সঙ্গে একদা টানা ৩৪ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা আলিমুদ্দিনের নেতাদের জন্যেও।
গোটা বিশ্বে বামপন্থীদের বিপর্যয়। সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পূর্ব ইউরোপের তথাকথিত কমিউনিস্ট দেশগুলি পতনের পরে বাংলার বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যদের শেষ ভরসা ছিল লাতিন আমেরিকার নিও লেফট লুলার ব্রাজিল, হুগো সেভেজের ভেনিজুয়েলা। কিন্তু সেখানেও আজ দক্ষিণপন্থীরা ক্ষমতায়। বাংলায় দক্ষিণপন্থী দল বিজেপি প্রধান বিরোধী দল। অফিসিয়ালি ৭৭ জন বিধায়ক। বামেরা শূন্য।
মানুষ পরীক্ষায় ‘জিরো’ পেলে কিছু শিক্ষা পায়। কিন্তু জিরো পেয়েও বঙ্গ সিপিএম মনে হয় কিছুই শিক্ষা নিল না। বিশেষ করে ১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া দলের রাজ্য সম্মেলন যে দিকে এগোচ্ছে, তাতে ক্রমেই তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এই সম্মেলনের পরে ষাটের দশকে ছাত্র আন্দোলন থেকে উঠে আসা বিমান বসু অবসর নেবেন। তিনি বড় জোর সাধারণ পার্টি সদস্য থাকবেন। সরে যাবেন সূর্যকান্ত মিশ্রও।
বিশ্বের সর্বত্র কমিউনিস্ট পার্টিতে সম্পাদক ও সাধারণ সম্পাদকই শেষ কথা বলেন। সেইসঙ্গে অতি গুরুত্বপূর্ণ জেলার সম্পাদকেরাও। সিপিএমকে যেহেতু শূন্য থেকে শুরু করতে হচ্ছে, ফলে যিনিই সম্পাদক হবেন, তাঁর সামনে অন্তত আগামী ১০ বছরের রোড ম্যাপ থাকতে হবে। তবেই কিছু করতে পারবেন। সময়ের উপরে দাঁড়িয়ে সংবাদমাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে, টানা রাস্তায় পড়ে থেকে, লড়াই করে, জেলে গিয়ে, তবেই নিজেদের মমতা ব্যানার্জির গড়া তৃণমূলের বিকল্প হিসেবে তুলে ধরা সম্ভব। নচেৎ নয়।
কিন্তু প্রথমেই যদি দেখেন, নেতা সেই পুরনো বেতো ঘোড়া, গোষ্ঠী বা দলের কায়েমী স্বার্থপন্থী, যিনি পথে না নেমে আলিমুদ্দিনেই সারা দিন কাটিয়ে দিতে ভালোবাসেন, তা হলে আগেই বলে দেওয়া যায়, কমরেড হবে না। তার থেকে বাড়িতে লুডো খেলুন। সিপিএমের বর্তমান রাজ্য সম্পাদক সূর্যবাবু হয়তো সৎ ব্যক্তি। কিন্তু তিনি লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে কোনও দিনই নেতা হননি। তাঁকে একদা বামেদের গড় অবিভক্ত  মেদিনীপুরের জেলা পরিষদের মাথায় বসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে তিনি পঞ্চায়েত ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী হন। কিন্তু সিপিএমের মন্ত্রীদের মধ্যে সূর্যবাবু ছিলেন চরম ব্যর্থ। শেষ দিকে তাঁকে সরিয়ে খেলার অন্তিম লগ্নে আনিসুর রহমানকে পঞ্চায়েত মন্ত্রী করা হয়। কিন্তু ততক্ষণে খেলার ফল নির্ধারিত হয়ে গিয়েছে।
তাই ২০১১ সালে সিপিএম হেরে যাওয়ার পরে আর কোনও দিনই ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। সে যতই সূর্যবাবু মাইকে চিৎকার করে বলুন, ‘‘আমাদের ঘুরে দাঁড়াতেই হবে। আমরা ঘুরে দাঁড়াবোই…।’’ সূর্যবাবু আমাকে পছন্দ করেন না। নানা সময়ে কিছু বিরূপ মন্তব্যও করেছেন। সেই সব আমি মনেও রাখিনি। কিন্তু অতীতেও আমি বার বার একটা কথাই বলেছি, যে মানুষটা বিরোধী হিসেবে লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে নেতা হননি, তিনি মমতার সঙ্গে লড়ে পারবেন না। সত্যি তাই হয়েছে। একেবারে শূন্য হয়ে গিয়েছেন কমরেড! এই বসন্তে পলাশ ফুল ফুটছে। কিন্তু বাংলার জমি কিছুতেই ফিকে লালও হচ্ছে না।
গত এক মাস ধরে বিভিন্ন সময়ে দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা কর্মীদের সঙ্গে কথা হয়েছে, কে আগামী দিনে দায়িত্ব পেতে পারেন? অদ্ভুত ভাবেই দেখেছি, অনেকেই হাওড়ার শ্রীদীপ ভট্টাচার্যের নাম করেছেন। কারণ, আলিমুদ্দিনের কায়েমী স্বার্থের কিছু নেতা তাই চান ( এঁদের মধ্যে অবশ্যই বিমান বসু নেই)। এবং তাঁরা বন্ধু হিসেবে আমাকে একাধিক বার কিছু লিখতে অনুরোধ করেছেন। নানা কারণে লিখিনি। কিন্তু আজ যখন দেখলাম আনন্দবাজার পত্রিকা শ্রীদীপবাবুর দৌড় নিয়ে লিখেছে, এবং তার পরে একাধিক ফোনে লেখার অনুরোধ এল, মনে হলো কিছু কথা খুলেই বলি।
হবে না। জাস্ট হবে না। এই ভাবে চলা সিপিএমের ব্যাটে কোনও রান উঠবে না। আপনারা বুঝতেই পারছেন না পরিস্থিতি কত কঠিন! না হলে একদা বামেদের গড়ে একটি পুরসভা না জিততে পারলেও (গোটা জেলায় হাতে গোনা কিছু ওয়ার্ড জিতেছেন) উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় এখনও এত গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব যে কমিটি গঠন না করেই জেলা সম্মেলন শেষ করে দিতে হয়েছিল! কাল, রবিবার সবাইকে ডেকে ভোট করে কমিটি গঠন করা হয়েছে। কিন্তু বিরক্ত হয়ে সুভাষ চক্রবর্তীর স্ত্রী রমলা চক্রবর্তীর মতো অনেকেই ভোট দিতে যাননি। প্যানেল হয়েছে। ভোট হয়েছে। দু’জন হেরেও গিয়েছেন। আর একেবারে শেষ লগ্নে সোমবার রাতে ভোট করে সম্পাদক ঠিক করতে হলো। অথচ, রাত পোয়ালে রাজ্য সম্মেলন!
কী আশ্চর্য, জেলা কমিটির লিস্টে প্রথম নামটাই গৌতম দেবের! তিনি যদি সুস্থ থাকতেন, তাহলে আজ তিনিই রাজ্য সম্পাদক হতেন। কিন্তু যিনি অসুস্থ, কার্যত গৃহবন্দি কেন কমিটিতে তাঁকে এক নম্বরে রাখতে হবে? কেন তাঁর থেকে বয়সে কিছু বড় অসুস্থ নেপালদেব ভট্টাচার্যকে রাখতে হবে ? কেন আর একজন অসুস্থ, যিনি ভোটে পর্যন্ত লড়তে পারছেন না, সেই মানস মুখার্জিকে রাখতে হবে? কেন দীর্ঘ দিন ধরে বকলমে জেলা চালানো ৭২ ঊর্ধ্ব, অসুস্থ মৃণাল চক্রবর্তীকে রাখতে হবে? এবং শেষ পর্যন্ত জেলা সম্পাদক করতে হবে? এর কোনও উত্তর আপনাদের কাছে নেই কমরেড!
আসলে এই বৃদ্ধতন্ত্র কিছুতেই ক্ষমতা ছাড়তে চায় না। যেন মুণ্ড গেলে খাবটা কী? কমিটি গেলে থাকবেটা কী? তা হলে সোমনাথ, সায়নদীপ, গার্গী, সপ্তর্ষি, পলাশরা কি একা একা কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না ? আর কবে নেবেন? আরে ছেড়ে দিন। ওঁরা ভুল করলে করবেন। ঠিক করলে করবেন। যা বুঝবেন করবেন। শূন্যর নীচে তো কোনও আসন নেই! কিন্তু না। ছাড়া যাবে না। চিবিয়ে চিবিয়ে বলব! সেই পুরোনো স্টাইল অব ফাংশন। হিন্দিতে বলে, রাশি জ্বাল গিয়া। বল নাহি গিয়া। মানে, দড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। কিন্তু দড়ি ভাবছে, এখনও আমার এত জোর যে জাহাজ বাঁধা যায়! যে স্টাইল অহ ফাংশনই অসুস্থ গায়ক শুভেন্দু মাইতিকে মঞ্চে অপমান করেছিল!
ঠিক এখান থেকেই আসছে সত্তরোর্ধ্ব শ্রীদীপ প্রসঙ্গ। হাওড়া জেলার সম্পাদক হিসেবে শিবপুর বি ই কলেজের এই প্রাক্তনী কোনও ছাপই রাখতে পারেননি!  বিজ্ঞান আন্দোলন করতেন। জেলা সম্পাদকের ঘরে বসে তিনি কলিং বেল বাজিয়ে অধঃস্তন কমরেডদের ডাকতেন। সক্কলে বিরক্ত হতো। আমার কথা বিশ্বাস না হলে বিপ্লব মজুমদারকে ডেকে জিজ্ঞাসা করুন।
আমি প্রবল ক্ষমতাসম্পন্ন অনিল বিশ্বাস পরবর্তী কালে বিমান বসু, এমনকি দিল্লিতে প্রকাশ – সীতারামকেও এ ভাবে কলিং বেল টিপে কাউকে ডাকতে দেখিনি। জেলা সম্পাদক হিসেবে যিনি ব্যর্থ, তিনি গোটা রাজ্য দেখবেন কী করে? আমি দীর্ঘ দিন সিপিএম কভার করেছি। ৭৫-৮০ বছরের বিমান বসু রাস্তায় নেমে যে ভাবে আন্দোলন করতেন, চড়া রোদ মাথায় নিয়ে হাঁটতেন, তার ধারে কাছেও এঁকে পথে নামতে দেখিনি। হতে পারে শ্রীদীপবাবু মার্ক্সবাদে খুবই দক্ষ। কিন্তু এখন সিপিএমের কোনও তাত্ত্বিক নেতা চাই না। দরকার ২০-২৫ বছর আগেকার স্ট্রিট ফাইটার একজন মমতা ব্যানার্জির। আরে শ্রীদীপবাবুর নামটাই বাংলার মানুষকে বোঝাতে কম করে দু’বছর সময় লাগবে কমরেড!
মহম্মদ সেলিমের বয়স এখন ৬৪। দক্ষ সাংসদ, রাজ্যের মন্ত্রী ছিলেন। অতি পরিচিত মুখ। মোটামুটি সবাই তাঁর নাম জানে। আব্বাস সিদ্দিকীর সঙ্গে তাঁর জোটের হারিকিরি নিয়ে আলোচনা দলের মধ্যে হতেই পারে। কিন্তু পলিটব্যুরোর এই সদস্য বক্তৃতায় এই মুহূর্তে সবচেয়ে দক্ষ। তার উপরে মুসলিম।
আনিস কাণ্ডের পরে বিভিন্ন ঘটনায় মুসলিমরা ক্ষুব্ধ। আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন আলিয়ার ছাত্র ছাত্রীরা। দেউচা পাচামি নিয়েও আদিবাসীদের পাশাপাশি মুসলিমরা জোট বাঁধছেন। সেখানে আগামী দিনে আরও বড় আন্দোলন দেখা দিতে পারে। কট্টর হিন্দুবাদী এবং আসানসোলের দাঙ্গার সময় নানা প্রশ্ন ওঠা বাবুল সুপ্রিয়কে বালিগঞ্জে  দিদি প্রার্থী করেছেন। সব মিলিয়েই মমতায় অনুগত মুসলিম মন নানা বিকল্পের কথা ভাবছে। সেই দিক থেকে সেলিম বেস্ট অপশন। মুজাফফর আহমেদের পরে কোনও মুসলিম নেতা সিপিএমের রাজ্য নেতৃত্বের শীর্ষে বসেননি। এই প্রথম দীর্ঘ দিনের ভুল শুধরে মুর্শিদাবাদ জেলায় সিপিএম একজন মুসলিম যুব নেতা জামির মোল্লাকে সম্পাদক করেছে। ভালো করেছে।
সেলিমে আপত্তি ? তা হলে বয়েসে আর একটু ছোট সুজন চক্রবর্তী আছেন। সাংসদ, বিধায়ক দলের নেতা ছিলেন। সকলের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো। মিডিয়া ফ্রেন্ডলি। একটু বেশি কথা বলেন। কিন্তু লিবারাল হিসেবে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য। সবচেয়ে বড় কথা রাজ্যের মানুষের কাছে পরিচিত মুখ। শারীরিক দিক থেকেও সক্ষম।
তাতেও আপত্তি? তাহলে দীর্ঘ দিনের সাংসদ থাকা বর্তমানে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা সম্পাদক শমীক লাহিড়ী আছেন। বয়স ৫৬। পড়াশোনা করেন। লিবারাল। পরিচিত মুখ। ভালো লেখার হাত। ভালো তর্ক করেন। বক্তৃতায় দক্ষ। আচ্ছা, তাতেও আপত্তি? জমি, কয়লা খনি সব হারিয়েও বর্ধমান লবি এখনও স্ট্রং? তাহলে মন্দের ভালো আভাস রায়চৌধুরী আছেন।  ছাত্র যুব করা ছেলে। সংগঠন ভালো বোঝেন। অনিল বিশ্বাস আরও কিছু দিন বেঁচে থাকলে অপূর্ব উঠে আসতেন। কিন্তু সোমনাথ, অপূর্বরা এখনও জেলাতেই আটকে রইলেন!
এ বার একটা পরিসংখ্যান দিই। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারের অন্যতম হাতিয়ার। সবাই মানেন। প্রত্যেক দিন সকালে নিয়ম করে দলের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি ফেসবুক পোস্ট করেন। মূলত দেশের আর্থিক পরিস্থিতি বা মোদী সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য দিয়ে পোস্ট। আমি ঘুম ভেঙে ফেসবুক খুলেই তা  দেখতে পাই।
ইদানিং সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যবাবু তাঁর টুইটারে এক এক দিন রাজ্য সম্মেলন উপলক্ষে ছবি, যাকে টিজার বলে, আপলোড করছেন। নিয়মিত কিছু বক্তব্য, বিশেষ করে মমতা ও তৃণমূল বিরোধী কিছু বলা বা শেয়ার করার ক্ষেত্রে সুজনবাবুও পিছপা হন না। সেলিমও করেন। শমীকও করেন।
সবচেয়ে বেশি লাইক বা রিটুইট হয় সুজনের ক্ষেত্রে। কিন্তু সংখ্যাটি কত জানেন ? ২৪ ঘণ্টায় লাইক বড় জোর ১৬০-১৭০। সেলিমের ক্ষেত্রেও সংখ্যাটি প্রায় একই রকম। বিজেপি বা মোদী বিরোধী ট্যুইট হলে আরেকটু বেশি লাইক পড়ে। এদের দু’ জনের থেকে কম লাইক পান সূর্যবাবু!
আর টাক ঢাকতে টুপি মাথায় শ্রীদীপ বাবু ? ২০২১ সালের ১৩ মে মোদীর ২০ হাজার কোটি টাকার সেন্ট্রাল ভিস্টা নিয়ে ওই বছরের দ্বিতীয় ও শেষ ট্যুইটটি করেছিলেন। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে প্রার্থী হয়ে শেষ ফেসবুক পোস্ট। অন্তত আমার তাই চোখে পড়েছে।
এ বার আপনারা স্কোর বোর্ডে শূন্য রান নিয়ে খেলার জন্য কার হতে ব্যাট তুলে দেবেন সেটা আপনাদের ব্যাপার।
আর একটা কথা। মীনাক্ষী বা ঐশী একেবারে নতুন। ওঁদের ধাতস্থ হতে সময় দিন। আরও কয়েক বার মমতার রাজত্বে মার খেতে, জেল খাটতে দিন। পোক্ত হতে দিন। বাংলার মহিলা মুখ্যমন্ত্রী ক’বার জেলে গিয়েছেন? দলের বর্ষীয়ান নেতা নীলুবাবুর মতো এমন বোকা বোকা ফেসবুক পোস্ট করবেন না। কেউ যদি পাল্টা প্রশ্ন করেন, আচ্ছা নীলুদা, সিধুবাবুর সময়ে বুদ্ধবাবু ক’বার জেলে গিয়েছেন?
সেই  ইন্টারন্যাশনাল গান দিয়েই তো আপনাদের সব অনুষ্ঠান শেষ হয়। আমিও শেষ করি।.. শেষ যুদ্ধ শুরু আজি কমরেড….। অনেক অনেক পথ হাঁটতে হবে বিকল্প হয়ে উঠতে। অন্তত ১০ বছর। সেই লক্ষ্যে নেতা ঠিক করুন।

(লেখাটি ফেসবুক থেকে নেওয়া। মতামত লেখকের ব্যক্তিগত। ফিচার ছবি গুগল থেকে নেওয়া)